Skip to main content

Posts

Showing posts from 2020

Online Calligraphy Trail Class 2020

How to make a calligraphy composition

 ক্যালিগ্রাফি কম্পোজিশন কিভাবে করবেন  - মোহাম্মদ আবদুর রহীম সালামুন কওলাম মির রাব্বির রাহীম, শৈলী- সুলুস জালি, ক্যালিগ্রাফি- মোহাম্মদ আবদুর রহীম,  ১৪৪২ হিজরি। ঢাকা, বাংলাদেশ।           ক্যালিগ্রাফি শিক্ষায় প্রথম পর্বগুলো শেষ হলে একাডেমিয়ায় কম্পোজিশন পর্ব শুরু হয়। আমাদের অনলাইন কোর্সে আমরা এই পর্বের সীমিত সংখ্যক ক্লাস রেখেছি,  যাতে একজন শিক্ষার্থী সহজে বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারেন এবং মশক করতে পারেন। আমরা আজকে আরেকটি কম্পোজিশন নিয়ে আলোচনা করব। কম্পোজিশন করার আগে সারফেস বা জায়গার মাপ (হাজম) অনুযায়ী ক্যালিগ্রাফি কেমন হবে, কোন কলমে, কোন শৈলীতে হবে এবং কোন ধরণের কম্পোজিশন(তারকিব/তাকউইন) হবে, তা মনে মনে ঠিক করে নিতে হবে। নিজের মত ইউনিক একটা কম্পোজিশন করতে হলে আরবি ক্যালিগ্রাফির প্রচলিত কম্পোজিশনগুলো ভালমত মশক করতে হবে। যাহোক, আজকের কম্পোজিশনটি হচ্ছে, তারকিব শিবহে হিলঝুনি(আধা পেঁচানো/সর্পিল সাজানো): এই কম্পোজিশনে ল্যান্ডস্কেপ সারফেস বা পোর্টেট সারফেস বিবেচনা করে টেক্সটের প্রথম শব্দের শেষ হরফ যেখানে গিয়ে শেষ হবে, তার শেষ হরফের আগে অন্তত একটা হরফের ভার্টিকেল স্ট্রোক পুরো সারফেসের মাঝ বরাবর যেন

Calligraphy composition : step by step

 ক্যালিগ্রাফি কম্পোজিশনের পর্যায়গুলো মোহাম্মদ আবদুর রহীম    একাডেমিয়ায় ক্যালিগ্রাফির মুফরাদাত, মুরাক্কাবাত ও কালিমাত আয়ত্বের পর লাগাতার ক্যালিগ্রাফির কম্পোজিশন মশক করতে হয়। এ শিল্পকলাটি পুরোপুরি বিজ্ঞান নির্ভর এবং প্রাচ্যশিল্পের ষড়ঙ্গ এতে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায়। সুতরাং একজন ক্যালিগ্রাফার যেমন তার কাজে স্বাচ্ছন্দ আনতে পূর্বসূরীদের কাজ লাগাতার কপি করেন, তেমনি নিজের ধারা তৈরিতে নতুন কম্পোজিশন করেন।  সুতরাং ক্যালিগ্রাফি কম্পোজিশন করার যে সহজ একাডেমিক নীতিমালা আছে তা অনুসরণ করে অনায়াসে কাজ সম্পন্ন করা যায়। আমরা প্যানেল ক্যালিগ্রাফি(লাওহা আল-খত) কম্পোজিশন (তারকিব) নিয়ে যে নিয়ম বিধি আছে, তার একটা নিয়ে আলোচনা করবো। তারকিব মিন তাহত ইলা ফওক (নিচ থেকে উপর সাজানো) : এ নিয়মে যে টেক্সটটি আমরা ক্যালিগ্রাফি করবো, প্রথমে সেটা পেন্সিল দিয়ে লিখে নিবো। তাতে ভার্টিকেল ও হরাইজন্টাল স্ট্রোকগুলো এমনভাবে সাজাবো যাতে একটা রিদম ও সিমেট্রিকাল স্ট্রোক রিপিটের সাথে হারমনি ঠিক থাকে। এভাবে প্রথম যে কম্পোজিশন হয় সেটা "আধা ক্যালিগ্রাফি ফর্ম" বলে। এবার পার্সপেক্টিভ ও নিজস্ব ফিলোসোফি তাতে প্রয়োগ করুন। আপনা

Academic learning of Calligraphy in Bangladesh

 ক্যালিগ্রাফির শাস্ত্রীয় শিক্ষা  মোহাম্মদ আবদুর রহীম   বাংলাদেশে ক্যালিগ্রাফি শেখানোর যেসব জায়গা বা প্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলোর প্রায় সব শিক্ষকই হচ্ছেন স্বশিক্ষিত।  ফলে ক্যালিগ্রাফির আসল শিক্ষা সেখানে পাওয়া মুশ্কিল। আর সনদবিহীন উস্তাদের কাছে তা আশা করা যায় না। বাংলাদেশে আমরা ক্যালিগ্রাফি শিক্ষাকে পরিপূর্ণ শাস্ত্রীয় ধারায় প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছি।  এখানে প্রাথমিক পর্যায়ের কয়েকটি বিষয় নিয়ে কথা বলবো ইনশাআল্লাহ।  আপনারা এবিদ্যার মৌলিক কয়েকটি বিষয় জানলে পরবর্তী পর্যায়ে কাজ করতে সুবিধা পাবেন। ক্যালিগ্রাফির হরফের প্রথম যে বিষয়টি শেখানো হয়। সেটা হলো মুফরাদাত। এই মুফরাদাত ক্লাসগুলোতে একক হরফ কিভাবে ক্যালিগ্রাফির কলম দিয়ে লেখা হয়, তা হাতেকলমে শেখানোর সময় চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে শেখানো হয়।  এক. কত্-এর কৌণিক অবস্থান, সংক্ষেপে একে আমরা এঙ্গেল (যাওয়িয়াহ), ডিগ্রি (দারাজাহ) বলি। একটি হরফ লিখতে হরফের বিভিন্ন অংশে কত্-এর এঙ্গেলের ডিগ্রি পরিবর্তন হয়। দুই. মোশন বা ইকতিরাহ। একটা হরফ লিখতে কলমের গতি কোন দিকে যাবে তাকে তীর চিহ্ন দিয়ে দেখানো হয়। একে আমরা বলি ইকতিরাহ বা মোশন। তিন. কত্ বা পরিমাপের নোকতা।

Calligraphy Composition sense

Calligraphy VS Lettering 2

Calligraphy vs Lettering

Jaipur International Calligraphy & Art Festival 2020 Interview

Calligraphy study in Bangladesh : an academic addresses

 ক্যালিগ্রাফির বাহ্যিক পরিকাঠামো : ইলমি বয়ান আলহামদুলিল্লাহ! ক্যালিগ্রাফি চর্চা ও শিক্ষায় বাংলাদেশে ইলমি(একাডেমিয়া) বিষয়টি এখন গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে। যেকোন একাডেমিক শিক্ষায় প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চপর্যায়ের শেষে গবেষণা পর্যায় ও সার্টিফিকেট প্রদানের বিষয় রয়েছে। ক্যালিগ্রাফি একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ট অনুষদে আলাদা ক্যালিগ্রাফি ডিপার্টমেন্ট রয়েছে এবং এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রির ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাবির প্রাচ্যকলা বিভাগ থেকেও ক্যালিগ্রাফিতে এমফিল পিএইচডি করার সুযোগ আছে। সুতরাং একাডেমিয়ার গুরুত্ব হলো কোন বিষয়কে সবিশেষ পর্যায়ে শিক্ষাদান, স্থায়িত্ব ও উন্নয়ন চালু রাখা। এতসব কথা বলার কারন হলো, ক্যালিগ্রাফিকে আমরা একাডেমিয়ায় নিতে না পারলে এটা টিকবে না।  যাইহোক,  আমরা যারা ক্যালিগ্রাফি করি, যেকোন কম্পোজিশন যদি ক্যালিগ্রাফির কলম দিয়ে সামনে রেখে কেউ কোন ড্রাফট(পেন্সিল দিয়ে একে নেয়া বা কার্বন কপি করা) ছাড়া করতে পারেন। তাকে মাধ্যমিকের সনদ অর্জনের যোগ্য মনে করা হয়। আমরা একটি কপি কাজের প্রোগ্রাম শুরু করেছি। যারা সত্যিকার ক্যালিগ্রাফার হতে চান, এটা তাদের জন্য অত্যাবশ্যক। আজকের এক

Bahri al-Bangali Calligraphy

 বাহরি আল বাংগালী শৈলী : মুফরাদাত  -মোহাম্মদ আবদুর রহীম    ১৩শতকে বাংলায় একটা অভিনব আরবি শৈলীকে বাংলার স্বাধীন সুলতানগণ পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিলেন। প্রাচ্যবিদেরা একে বিহারী শৈলী বলেছেন। যদিও বিহার অঞ্চলের সাথে এর কোন সংযোগ তারা দেখাতে পারেন নাই। ইরাকের বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ও ক্যালিগ্রাফার ড. ইউসুফ জিন্নুন রহ. একে বাহরী শৈলী বলেছেন। এ শৈলীতে রাজকীয় কুরআন, শিলালিপি করা হয়েছে। এটা আমাদের ঐতিহ্যবাহী আরবি ক্যালিগ্রাফির একটি প্রকরণ। ছাত্রদের আগ্রহ বিবেচনায় এ শৈলীর মুফরাদাত অংশ দেয়া হল।

Calligraphy Development in Bangladesh

বাংলাদেশের ক্যালিগ্রাফারদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রসংগে -----++++----- -মোহাম্মদ আবদুর রহীম  যে কোন শিল্পে হুবহু নকল করা স্কিল ডেভেলপের একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। এবার ঈদ উপলক্ষে আমাদের নবীন প্রবীন ক্যালিগ্রাফারদের মধ্যে হাতে গোনা দুয়েকজন নিজের ক্যালিগ্রাফি দিয়ে ঈদ মোবারক জানিয়েছেন।  কেউ কেউ আন্তর্জাতিক  বিখ্যাত কোন ক্যালিগ্রাফারের ক্যালিগ্রাফি দিয়ে জানিয়েছেন।  আমাদের এক নবীন প্রতিশ্রুতিশীল ক্যালিগ্রাফার সৌদি ওস্তাদ ক্যালিগ্রাফার আবদুশ শাকুর শাকেরের ক্যালিগ্রাফি দিয়ে ঈদ মোবারক জানানোতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কপি করে ক্রেডিট মূল ক্যালিগ্রাফারকে দিতে পারতেন। তিনি জানালেন, কপি করেছিলেন,  কিন্তু আশানুরূপ না হওয়ায় দেন নাই। যাহোক একটি আইডিয়া মাথায় এলো। আমরা যদি নিয়ম অনুযায়ী মাত্র ৬মাস (সপ্তাহে অন্তত একটা) এই কপি করার কাজ চালাতে পারি, তাহলে নিজের কাজ দেখে নিজে বিস্মিত হবো ইনশাআল্লাহ। তাহলে আজ থেকে শুরু করি। নিয়ম- ক্যালিগ্রাফি কলম দিয়ে যেকোন রঙের কালিতে হুবহু নকল করতে হবে। ছবি দিবেন, সম্ভব হলে ভিডিও দিবেন। আমরা কাজগুলো নিয়ে আলাপ করবো। আজ আমার একটা কাজ দিয়ে শুরু করি, এরপর বিদেশের ক্যাল

Khatt Sunbuli in Bangladesh

ক্যালিগ্রাফির শৈলী : খত সুম্বুলী -মোহাম্মদ আবদুর রহীম বাংলাদেশে ক্যালিগ্রাফি চর্চা দিন দিন শৈলী ভিত্তিক হয়ে উঠছে। সুলুস শৈলীতে অধিকাংশ কাজ করা হলেও অন্যান্য শৈলী  এখানে চর্চা হচ্ছে ভিন্ন স্বাদ আস্বাদনের জন্য। সুন্বুল বা সুম্বুল হচ্ছে তুরস্কের একটি সুফি ধারার নাম। তাওকি বা সিগনেচার দেয়ার জন্য তাওকি শৈলীতে আলাদা একটা ফ্লেবার আনতে চেষ্টা করেন উস্তাদ আরেফ হিকমত। তিনি ছিলেন ইস্তাম্বুলের সুন্বুল সুফি ধারার অনুসারী বিখ্যাত একজন ক্যালিগ্রাফার। তিনি দিওয়ানী শৈলী থেকে আলাদা করে যে শৈলীটি উদ্ভাবন করেন,  ১৯১৪ সালে সেটি খত সুন্বুলী নামে পরিচিতি লাভ করে। পরে বিখ্যাত তুর্কি ক্যালিগ্রাফারগন একে আন্তর্জাতিকতা এনে দেন। একটি কথা না বললেই নয়, শৈলিভিত্তিক ক্যালিগ্রাফিতে নতুন কোন শৈলী বানাতে হলে কিছু নিয়মবিধি অনুসরণ করতে হয়। সেটা হলো, নতুন শৈলীটির একটা মুফরাদাত, মুরাক্কাবাত ও কালিমাত তৈরি করে উস্তাদ ক্যালিগ্রাফারদের কাছ থেকে ইযাজা অর্জন করতে হয়। এছাড়া যিনি নতুন শৈলী করবেন তাকে নিজেও কমন সনদ বা ক্যালিগ্রাফির ইকাজেট বা সার্টিফিকেটধারী হতে হয়। আধুনিক কালে গ্রাফিতি আর্টের বিখ্যাত আর্টিস্ট ও ক্যালিগ্র

Five calligraphy books of Mohammad Abdur Rahim

ক্যালিগ্রাফি নিয়ে শিল্পী আব্দুর রহীমের পাঁচটি বই  জুলাই ২৪, ২০২০ ৩:২৬ এএম মােহাম্মদ আবদুর রহীম। একজন শিল্পী, গ্রন্থকার, গবেষক ও ক্যালিগ্রাফার। তিনি ক্যালিগ্রাফি সােসাইটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। ১৯৮০ সাল থেকে নিয়মিত ক্যালিগ্রাফি করছেন। ওস্তাদ শহীদুল্লাহ এফ, বারীর নিকট ক্যালিগ্রাফির ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে সনদ অর্জন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্যালিগ্রাফি বিষয়ে এমফিল ডিগ্রি অর্জনের পর একই বিষয়ে পিএইচডি করছেন।    দেশে-বিদেশে তার ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শিত হয়েছে। ঢাকা, গাজীপুর,  চট্টগ্রাম ও মুন্সিগঞ্জে তিনি মসজিদে, ধর্মীয় ইমারতে ক্যালিগ্রাফি করেছেন, এই স্থাপত্য ক্যালিগ্রাফি তার একটি উল্লেখযােগ্য কাজ । তিনি ক্যালিগ্রাফি সােসাইটির ক্যালিগ্রাফি কোর্সের অন্যতম প্রশিক্ষক ও বাংলাদেশ ক্যালিগ্রাফি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও অনলাইন ক্যালিগ্রাফি প্রশিক্ষক। এছাড়া তিনি দৈনিক সংগ্রামের সাব-এডিটর। ক্যালিগ্রাফি শিল্পী ও গবেষক আবদুর রহীম ক্যালিগ্রাফি শিক্ষার্থীদের জন্য লিখেছেন আরো বেশ কটি বই। সেখান থেকে পাঁচটি বইয়ের সন্ধান পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। ১. খত মো‘য়াল্লা (Cal

Zoom Online Calligraphy Course 2nd batch

Admission going on.. 2nd batch. Zoom Online Calligraphy Course 2020 জুম অনলাইন ক্যালিগ্রাফি কোর্স  ২০২০ 2nd Batch Start on August 10, 2020 Total : 30 classes, Class duration : 40 Minutes. 5 classes in a week. Time : 9.15 PM Course Fee : 1530/- (BDT One Thousand and Five Hundreds Only) Please send 1530/- to 01819676027 (personal Bkash) and register your name in the course Course details : Arabic, Bangla and English calligraphy to be learn. Traditional clasic calligraphy and modern calligraphy. Khatt and painting . materials and technique. The course design is for primary and mid-lavel learners. Every one welcome to join it. Please contact : 01819676027 (Imo, WhatsApp, Viber)

Zoom Online Calligraphy Class 23

Zoom OnlineCalligraphy Class 18

Zoom Online Calligraphy Class 17

Zoom OnlineCalligraphy Class 16

Zoom OnlineCalligraphy class 11

Hobby Man of Bangladesh

শখের মানুষ ------------------ -মোহাম্মদ আবদুর রহীম  আমরা যারা ক্যালিগ্রাফি বা পেইন্টিং করি, আমাদের কেউ কেউ দীলের গহীনে একজন সংগ্রাহক ও শখের মানুষ। আমি শৈশবে পৈত্রিক সুত্রে কিছু প্রাচীন মুদ্রা পেয়েছিলাম। আমার দাদাজান তার এসব মুদ্রা আমাকে দিয়ে যান। এমুদ্রা জমানোর বাতিক এখন আমার পুত্রের ভেতর সঞ্চারিত হয়েছে। বাংলাদেশের বিখ্যাত শিল্পী মর্তুজা বশির, যে মুদ্রা সংগ্রাহক তা জানতাম না। একদিন উনার হাবশি সুলতান বিষয়ে লেখা বই নিয়ে আলাপকালে সুলতানি মুদ্রার কথা বলতেই তিনি বললেন, কোথাও সুলতানি মুদ্রা পেলে তাকে জানাতে।  ঢাকা বিষয়ক গবেষক সাদ উর রহমান ভাইয়ের বদৌলতে বাংলাদেশ নিউমেসমেটিক কালেক্টরস সোসাইটির আজীবন সদস্য হয়ে এক বিশ্ময়কর জগতের সন্ধান পেলাম। সেখানে গিয়ে দেখি শিল্পী মর্তুজা বশিরও আজীবন সদস্য। এই জগতের একটা প্রেস্টিজিয়াস ডিরেক্টরি বের করেন রবিউল ভাই ও শাকিল ভাই। সে ডিরেক্টরিতে থাকার সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ উনাদের প্রতি। পুনশ্চ: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম ভাইয়ের সাথে পরিচয়ের পর, আল্লাহপাকের অশেষ মেহেরবানীতে যৌথভাবে সুলতানী মুদ্রা বিষয়ক একটি মৌলিক ও মূল্যবান

Calligraphers and Painters by Qadi Ahmad

১৬শতকের প্রাচ্যের বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার ============================= কাযী আহমাদ (১৬০৬ই.) এবং তার রিসালা - মোহাম্মদ আবদুর রহীম গবেষক টি মিনোরস্কি ওয়াশিন্টন ডিসির ফ্রির গ্যালারি থেকে ১৬শতকের প্রাচ্যের  ক্যালিগ্রাফি বিষয়ে একটি অত্যন্ত মূল্যবান গ্রন্থ রুশভাষা থেকে অনুবাদ ও গবেষণা আর্টিকেল ১৯৫৯ সালে প্রকাশ করেন। এটি ভি. মিনোরস্কি ফার্সি থেকে রুশ ভাষায় অনুবাদ করেন। ক্যালিগ্রাফারস এন্ড পেইন্টারস মূলত ষোল শতকের বিখ্যাত ইরানী ক্যালিগ্রাফার কাযী আহমাদ ইবনে মির মুনশী আল হুসায়নী রচিত রিসালা। কিতাবটিতে তিনি নিজের জীবনীসহ পূর্বপুরুষের ক্যালিগ্রাফি চর্চা, আরবি ও ফার্সি ক্যালিগ্রাফির ইতিহাসের সাথে ক্যালিগ্রাফার ও আর্টিস্টদের জীবনী সুচারুরূপে তুলে ধরেছেন। প্রাচ্যের ক্যালিগ্রাফি বিষয়ে সাভাবি আমলের এটি একটি অমূল্য গ্রন্থ। এটিকে এখন রেয়ার বুক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। এর একটি ফটোপ্রিন্ট বাংলাদেশ ক্যালিগ্রাফি ফাউন্ডেশনের আর্কাইভে সংরক্ষিত আছে।

Arabic Calligraphy : stroke, proportion, degree and Angeles

ক্যালিগ্রাফির স্ট্রোক, প্রোপোরশন, ডিগ্রি  ও এঙ্গেল : - মোহাম্মদ আবদুর রহীম ক্যালিগ্রাফির ইবতেদায়ী ক্লাসে আমরা যে শৈলী নিয়ে দরস দিয়ে থাকি, সেখানে স্ট্রোক, প্রোপোরশন, ডিগ্রি ও এঙ্গেল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা থাকে। যেহেতু ক্যালিগ্রাফি কলম চালনার সাথে এর সম্পর্ক, তাই হরফ লিখতে কলমটি কাগজে রাখার ক্ষেত্রে কত ডিগ্রি(দারাজা) এঙ্গেলে(জাউইয়া) হবে সেটা জানতে হয়। হরফের মাথা(র'স) ও শরীর(জিসম) অনুপাত(নিসবাহ) এবং প্রতিটি অংশ(জুঝউল হরফ) কতটুকু পাশে ও লম্বায় হবে, তা নোকতা(কত্) দিয়ে দেখানো হয়। যাকে "খত আল মানসুব" বলা হয়। হরফের মুভমেন্টে( হারাকাতুল হরফ) যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখতে হয়, সেটা হল স্ট্রোক। ক্যালিগ্রাফিতে একে আমরা "আল দরব" বলি। হরফে কোথায় ফুল স্ট্রোক(আল দরবাতুল কামেলাহ) হবে তা হরফের মুভমেন্টের প্রোপোরশন অনুযায়ী হবে। এছাড়া হরফটির কোন অংশ বেইজলাইনের(সতরুল হুদুদ) কোথায় থাকবে তা জানতে হয়। যেহেতু হাজার বছর ধরে শিল্পটি ওস্তাদ সাগরেদ পরম্পরা আমাদের কাছে এসেছে। তাই এশিল্পটির পরিপূর্ণ একটি একাডেমিক ভিত্তি আছে। আমাদেরকে সহজ ও সঠিক উপায়ে এ শিল্পটি আয়ত্ব করতে হলে

Eid Calligraphy : a spiritual artistic discussion

ঈদ ক্যালিগ্রাফি : শিল্প আধ্যাত্মিকতার কথকতা - মোহাম্মদ আবদুর রহীম মুসলিমের জীবনে বছরে দুই ঈদ হচ্ছে ইবাদাত ও খুশির দিন। সবাই নিজের দীলের তামান্না সম্ভাষণ ও নিজের একান্ত পদ্ধতিতে আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। ক্যালিগ্রাফারগণ যুগ যুগ ধরে হাতের কারুকাজ ও আধ্যাত্মিকতার মিশ্রনে এই আনন্দ ও খুশি ক্যালিগ্রাফির মাধ্যমে  প্রকাশ করে আসছেন। বহুবছর আগে আমেরিকার বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার উস্তাদ মোহাম্মদ জাকারিয়ার সুলুস শৈলীর "ঈদ মোবারক" সে দেশের ডাক টিকিটে ছাপা হয়। বিষয়টি আমাকে খুব আলোড়িত করেছিল, সেটা ২০০১ সালের কথা। এর কয়েক বছর পর ফেসবুকে যখন ওয়ার্ল্ড ক্যালিগ্রাফারদের সাথে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হওয়া শুরু হল, ঈদ শুভেচ্ছা জানানোর ক্যালিগ্রাফির শত শত কাজ আমাকে অভিভূত করেছে। এবার ঈদের ক্যালিগ্রাফি যতগুলো দেখেছি, দেশে তিনজন ও বিদেশের কয়েকজনের কাজ খুব ভাল লেগেছে। এসব কাজে শিল্প আধ্যাত্মিকতার বিষয়ে কয়েকটি কথা বলতে চাই। বাংলাদেশে রাজশাহীর ক্যালিগ্রাফার মোস্তফা আল মারুফ নাস্তালিকে যে কাজটি করেছেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে এটা চমতকার হয়েছে। এখানে কম্পোজিশন আইডিয়াটা মনে দোলা দেয়। আর সুলুস জালিতে জুনায়েদ ক্য